উত্তরদিনাজপুর

অতিরিক্ত পনের দাবী না মেটায় গৃহবধূকে আগুনে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ

বাপের বাড়ি থেকে টাকার নিয়ে আসার জন্য চাপ সৃষ্টির অভিযোগ। আর এই টাকা না নিয়ে আসায় এক গৃহবধুকে বিষ খাইয়ে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার করার অভিযোগ উঠলো তারই স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির লোকেদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ থানার জগদীশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের রুনিয়া গ্রামে। 

        জানা গেছে রুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা এমএসকে শিক্ষক বৈদ্যনাথ মন্ডল ২০১২ সালে রায়গঞ্জের গৌড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা শ্যামলী বর্মনকে বিয়ে করে। বিয়ের পর থেকে নানা অছিলায় বাপের বাড়ি থেকে শ্যামলীকে টাকা আনতে বাধ্য করতো বৈদ্যনাথ বলে অভিযোগ। সেই মতো ২ লক্ষ টাকার আনার জন্য দাবী করে শিক্ষক বৈদ্যনাথ ও তার পরিবার বলে অভিযোগ। সেই টাকা না পাওয়ায় মঙ্গলবার সকাল ১০ টা নাগাদ শ্যামলীকে আগুনে পুড়িয়ে দেয় স্বামী বৈদ্যনাথ ও তার বাড়ির লোকজন বলে অভিযোগ। এলাকাবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে রায়গঞ্জ হাসপাতালে ছুটে আসেন শ্যামলীর ভাই ও তার পরিবার। শ্যামলীর শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজে স্থানান্তরিত করার পরামর্শ দেন চিকিৎসক। মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়ার সময় পথে শ্যামলীর মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার রাতেই রায়গঞ্জ থানায় বৈদ্যনাথ সহ তার পরিবারের লোকেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে ওই গৃহবধূর পরিবার। মৃতদেহ রায়গঞ্জ মর্গে পাঠানোর পাশাপাশি ঘটনার মূল অভিযুক্ত শিক্ষক বৈদ্যনাথ মন্ডলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।