দেশের যে সব প্রান্তিক রেল স্টেশন রয়েছে তার মধ্যে উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ ব্লকের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রেল স্টেশনগুলির মধ্যে রয়েছে রাধিকাপুর রেল স্টেশন। এই স্টেশনের উপর দিয়ে বাংলাদেশের সাথে বর্হিঃবানিজ্য হয়ে থাকে। সময়ের সাথে সাথে রাধিকাপুর রেল স্টেশনের বর্হিঃবানিজ্য বেড়েই চলেছে। সেই কারনে ভারত সরকারের রেল দপ্তর স্টেশনের পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। একদিকে যেমন মডেল স্টেশনের কাজ শুরু হয়েছে তার সাথে রেল পথ বৃদ্ধির লক্ষ্যে জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হয়েছে। আগামীতে উত্তর-পূর্ব রেল বাংলাদেশের সাথে বর্হিঃবানিজ্য বড়সড় ব্যবসার মাধ্যম গড়ে দিবে রাধিকাপুর স্টেশন। এই জন্য রেল দপ্তর রাধিকাপুরে প্রায় ৪ একর জমি অধিগ্রহণ করবে। আর যাদের জমি ও ঘড়-বাড়ি পড়েছে সে সব জমিদাতাদের নিয়ে শুক্রবার কালিয়াগঞ্জের ব্লক অফিসে একটি প্রশাসনিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কালিয়াগঞ্জের বিডিও মহম্মদ জাকারিয়া, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নিতাই বৈশ্য, কালিয়াগঞ্জ থানার আই সি বিচিত্র বিকাশ রায়, ভূমি সংস্কার আধিকারিক বিদ্যুত কুমার মাঝি সহ জমি দাতারা।
এবিষয়ে জমিদাতা মনোব্রত মণ্ডল ও সুব্রত দাস জানিয়েছেন, তাদের দাবী তাদের পরিবারের মধ্যে থেকে এক জন সদস্যকে সরকারি চাকরী দিতে হবে, জমির ন্যায্য মূল্যের সাথে যাদের ঘড়-বাড়ি পড়েছে তার ক্ষতি পূরন দিতে হবে। তার সাথে তারা জমি দিতে রাজি কি না সে সব নিয়েও আলোচনা হয়। কিন্তু তারা প্রথম দিকে জমি দিতে রাজি না হলেও পরে জানতে পারে জমি অধিগ্রহণ আইন অনুসারে সরকারের যখন জমির প্রয়োজন, তখন সরকার জমি অধিগ্রহণ করতে পারে। জমি দিতে রাজি হলেও তা শর্ত-সাপেক্ষে নিতে হবে বলে জানান জমি দাতারা।
এদিকে কালিয়াগঞ্জের বিডিও মহম্মদ জাকারিয়া জানান, এদিনের বৈঠকে ১৫ থেকে ২০ জন জমিদাতা অংশ গ্রহণ করেন। রাধিকাপুর এলাকার যেসব মানুষদের রেলের উন্নয়নের জন্য জমি অধিগ্রহণ করা হবে সে সব জমিদাতাদের জেলাশাসকের নির্দেশ মতো তাদের নিয়ে আলোচনায় বসা হয়। তাদের জমির বদলে কি দাবী-দাওয়া রয়েছে সেগুলি আলোচনা করা হয়।