বেআইনী ভাবে কবরস্থানের গাছ কাটার অভিযোগ উঠলো ইংরেজবাজারের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিধায়ক তথা চেয়ারম্যান নীহার রঞ্জন ঘোষ। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে চেয়ারম্যান যায়। তিনি জানান ওই এলাকার কোন গাছ কাটার নির্দেশ দেননি তিনি। দুস্কৃতিরা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে।
এদিন দুপুরবেলা কৃষ্ণপল্লী এলাকার বাসিন্দা মালদার ওই কবরস্থনে মৃতদেহ নিয়ে যায়। গিয়ে দেখে সেখানকার ৮০—৯০টি গাছ কাটা হয়েছে। কবর স্থানে যারা গাছ কাটছেন তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই তারা জানায় চেয়ারম্যান নীহারবাবুর নির্দেশে এই গাছ কাটা হচ্ছে। কৃষ্ণপল্লী থেকে মৃতদেহ নিয়ে আসা ব্যাক্তিরা কবর স্থানে যারা গাছ কাটছিল তাদেরকে জিজ্ঞাসা করে চেয়ারম্যানবাবু কি কোন লিখিত দিয়েছে গাছ কাটার জন্য, তা জানতে চাওয়া হলে কোন উত্তর পাওয়া যায়নি। এই নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পরেছে। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় স্বয়ং চেয়ারম্যান। এই গাছ কাটার ঘটনায় বেশ কয়েক জনের নাম উঠে এসেছে। তাদের মধ্যে রয়েছে রিয়াজুল সেখ, পাপু সেখ, হোসেন সেখ, হাসান সেখ, আনু হালদার, হাফজা ফজি এরা এই কবর স্থানের রক্ষনা বেখনার কাজ করে । স্থানীয়দের অভিযোগ গাছ কাটার ঘটনায় এই পাঁচ জন গার্ড সহযোগিতা করেছে ।
কবরস্থানের দায়িত্বে থাকা রেজিস্টার রিয়াজুল সামাত জানায়, এই বিষয়ে আমার কোন হাত নেয়। মাত্র এক মাস হয়েছে আমি কাজে জয়েন্ট করেছি। কবরস্থানের রাস্তার কাজ করার দায়িত্বে থাকা সেরাজ ও জনি দুই জন মিলে গাছগুলি কেটেছে । তারা কবরস্থানের নতুন করে একটি রাস্তা করার কাজ শুরু করেছে। তারাই এসে আমাকে বলে যে চেয়ারম্যান গাছ কাটতে বলেছে।
ঘটনায় নীহারবাবু জানান, এই ধরনের কোন নির্দেশ তিনি দেননি । এটা ফরেস্ট দ্প্তর দেন। আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করেই এই গাছ কাটার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে দুস্কৃতিরা কিংবা বিরোধী দলও এই কাজ করতে পারেন। তিনি এও বলেন খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছে শুনতে পান প্রায় ১৫ দিন ধরে এই গাছ কাটার কাজ চলছে বেআইনি ভাবে। এমনকি গাছ গুলি কাটার পর সেই গাছের গুড়িগুলি পুরনো পাতা দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। যারা এই কাজ করেছে তাদের বিরুদ্ধে আমি পুলিশের দ্বারস্থ হবো এবং এর শেষ দেখে ছাড়বো বলে জানান চেয়ারম্যান নীহারবাবু।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে
https://www.youtube.com/embed/sIHfTRt-djc