মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার পরবর্তী পর্বে তৃনমূল কংগ্রেসের সন্ত্রাস দেখা গেল রতুয়া থানার চাঁদমনী ২ নং অঞ্চলে। কংগ্রেস প্রার্থী ও তার গোটা পরিবার সহ গ্রামবাসীদের মনে ঘর করেছে তৃনমূল কংগ্রেসের আতঙ্ক। অভিযোগ, রতুয়া থানার চাঁদমনী ২ নং অঞ্চলে কংগ্রেস প্রার্থী হয়ে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছিলেন কংগ্রেসের
১. মাসিদুর রহমান (চাঁদমনী ২
জি পি সংসদ নং ৬, বালুপুর )
২. নুরুল ইসলাম ( চাঁদমনী ২
জি পি সংসদ নং ৬, সালাবাতপুর )
৩. মহ: আলি ডাবলু ( পঞ্চায়েত সমিতি সংসদ নং ২৭, সালাবাতপুর)। কিন্তু নমিনেশন পত্র জমা দিতেই এই সকল প্রার্থীদের প্রানে মারার হুমকি দিতে থাকে আফজাল হোসেন, বেলাল হোসেন, আবল, মজামেল হক, আমিরুল হক, জিয়াউল হক সহ তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা। কিন্তু গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতিতে কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ায় পর প্রানে মারার হুমকি দিয়েও বিরত থাকতে না পেরে এবার জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে সেই সকল কংগ্রেস কর্মীদের বাড়ি ঘর। এই ঘটনার পর প্রানের ভয়ে ঘরছাড়া হয়েছেন ওই সকল কংগ্রেস কর্মীরা বলে পরিবার সূত্রে জানা যায়।
এবিষয়ে ওই সকল কংগ্রেস প্রার্থীর পরিবারের অভিযোগ, পঞ্চায়েত নির্বাচনে দাঁড়ানোয় তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী পেট্রোল দিয়ে বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি, এদিন হাজার খানেক তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা বোমা গুলি নিয়ে এসে কংগ্রেস কর্মীদের বাড়ি লক্ষ্য করে ছুড়তে শুরু করে, সেই সঙ্গে তাদের গ্রাম ছাড়া করার হুমকি দিতে থাকে বলেও অভিযোগ করেন প্রার্থীর পরিবারের লোকজন।
যদিও কোন এক অদৃশ্য কারণে পুলিশ প্রশাসন নির্বিকার ভূমিকায় অবতীর্ন হয়েছে। প্রশাসনের হয়ে ডি.এস.পি কান্তি বিশ্বাস বলেন, তারা ঘটনা জানতে পেরে এসেছেন, তদন্ত করে দেখছেন কি হয়েছে।
কংগ্রেস সাংসদ মৌসম নুর, তৃনমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে বলেন, আগে শুনেছিলাম অন্যান্য জায়গায় এমন ঘটনা হত, কিন্তু এখন মালদা জেলাতেও মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার পর থেকে এই ঘটনা শুরু হয়েছে। কারন অদের পায়ের তলায় মাটি নেই। তাই ভয় দেখিয়ে জয়ী হতে চাইছে তৃণমূল।
কংগ্রেসের এই অভিযোগের জবাবে বলতে গিয়ে তৃনমুলের জেলা সভাপতি ডা মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, কংগ্রেসের এই সমস্ত অভিযোগ সম্পুর্ন মিথ্যা। উল্টে মালদা জেলায় তৃণমূল কর্মীদের উপর আক্রমনের ঘটনা বেশি হয়।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে
https://www.youtube.com/embed/HE41Ydpkw8U