উত্তরদিনাজপুর

ছটপূজা করার জন্য ছিলনা পর্যাপ্ত জায়গা, ১০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে কালিয়াগঞ্জ পৌরসভার পক্ষ থেকে বাধানো হল শ্রীমতি নদীর ঘাট

বাঙালীর বারো মাসে তেরো পার্বণ। দুর্গাপুজা, লক্ষ্মীপুজা, কালী পূজা আর ছয়দিন পরেই আবার জন সাধারন মেতে উঠবে ছট পূজায়। এই পূজো আগে হিন্দী ভার্ষী মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু এখন হিন্দী ভাসি মানুষদের পাশাপাশি বাঙালী সহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষেরা মেতে উঠে। দিনের পরদিন ছট পূজো বেড়ে চলেছে। এই পূজো সাধারন নদীর ঘাটে বিকালে অস্তগামী সূর্য এবং পরের দিন উদীয়মান সূর্যকে অর্ঘ দিয়ে এই পূজা সমাপ্ত হয়। কিন্তু জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে নদীর ঘাটের জায়গার সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে ব্রত কারিদের। এবার যেন কোন কারনে ব্রত কারিদের সমস্যায় না পড়তে হয় সেই কারনে উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ পৌরসভার পক্ষ থেকে শ্রীমতি নদীতে পাকা ভাবে স্থায়ী ছট পূজার ঘাট তৈরী করা হয়েছে। এই বছর শ্রীমতি নদীর এক প্রান্ত পৌরসভার পক্ষ থেকে অর্থ ব্যায় করে  স্থায়ী ভাবে পাকা ছট পূজার ঘাট তৈরী করে দেওয়া হলেও। আগামীতে নদীর চারপাশে ঘাট নির্মান করে দেওয়া হবে বলে জানান পৌরসভার পৌরপ্রধান কার্তিক পাল। এই প্রকল্পের জন্য ১০ লক্ষ টাকা ব্যায় হবে। যাতে এদিক ওদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে শ্রীমতি নদীতে পূজো করতে না হয় ব্রতিদের। সবাই এক সাথে মিলে পূজো করতে পারবে। 

        এই বিষয়ে পৌরপিতা কার্তিক পাল জানান, ছটপূজোতে এখন সকল জাতীর মানুষ মেতে উঠে। এই পূজো খুব যাগ্রত। এই পূজোতে ব্রত চারিদের সমস্যায় না পড়ে সেই কারনে কালিয়াগঞ্জ পৌরসভার পক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে এই ছট পূজোর ঘাট তৈরী করা হয়েছে। আরও কিছু বেশি কাজ করা হত কিন্তু বন্যার কারনে আমাদের কাজ কিছুটা দেরি হয়েছে। আগামীতে নদীর চারপাশে ঘাট বাধানো হবে যাতে পরবর্তীতে কারো কোন রকম অসুবিধা না হয়।