মালদা

জেলার রক্ত সঙ্কট মেটাতে এগিয়ে এল মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের জুনিয়ার চিকিৎসকেরা

কেবল চিকিৎসা পরিসেবাতে নয়। মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ব্ল্যাড ব্যাঙ্কের রক্ত সঙ্কট মেটাতে এগিয়ে এল জুনিয়ার চিকিৎসকেরা। শুক্রবার মালদা মেডিক্যাল কলেজ ক্যাম্পাসে এক রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। 

        জানা গেছে, পঞ্চায়েত নির্বাচন বিধি চালু হওয়ার পর মালদা জেলার দুটি ব্ল্যাড ব্যাঙ্কে রক্তের আকাল দেখা দিয়েছে। কারণ রক্তদান শিবির বন্ধ রয়েছে পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্য। প্রতিদিন অসুস্থ রুগীর চিকিৎসার জন্য মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রায় ১০০ ইউনিট রক্তের প্রয়োজন। জেলাতে প্রতিদিন প্রয়োজন ৪০০ ইউনিট রক্তের। চাঁচল মহাকুমা হাসপাতাল ও মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের  ব্ল্যাড ব্যাঙ্কে মোট ২০০০ ইউনিট রক্ত মজুত রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু রক্তদান শিবির না হওয়াতে রক্ত শূন্য জেলার দুটি ব্ল্যাড ব্যাঙ্ক। যার ফলে রক্তের অভাবে চিকিৎসা পরিষেবা ব্যহত হচ্ছে। এই অবস্থায় মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের জুনিয়ার চিকিৎসকেরা এগিয়ে এলেন রক্তদান কর্মসূচীতে। 

        এদিনের এই রক্তদান কর্মসুচী সম্পর্কে বলতে গিয়ে সন্দীপন ভট্টাচার্য নামে এক জুনিয়ার ডাক্তার বলেন, তারা দিন রাত এই পরিষেবার মধ্য দিয়ে জানেন রক্ত কতটা জরুরী। কিন্তু মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্ত নেই এই খবরটা সিনিয়র ডাক্তারদের কাছ থেকে তারা জানতে পারে ও সেই পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা এগিয়ে এসে এদিনের এই রক্তদান শিবিরের আয়োজন করেছেন।

        এবিষয়ে ডাক্তার সুশান্ত ব্যানার্জি বলেন, জেলায় ব্লাড ব্যাঙ্কের পরিস্থিতি খারাপ, কিন্তু এখন পঞ্চায়েত নির্বাচন বিধি চালু থাকায় কোন দল রক্ত সংগ্রহ করতে পারছেনা। যার কারণে জুনিয়ার ডাক্তাররা নিজেরাই উদ্যোগী হয়েছে রক্তদান করতে। 

        এবিষয়ে বলতে গিয়ে মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের এম.এস.ভি.পি অমিত দাঁ জুনিয়ার ডাক্তারদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, জেলায় রক্ত সঙ্কট চলায় যেভাবে জুনিয়াররা পরিস্থিতি মোকাবিলায় নেমেছে তা অভুতপুর্ব।