মালদা

এক ব্যক্তিকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ, চাঞ্চল্য মালদা জেলা আদালত চত্বর এলাকায়

প্রকাশ্য দিবালোকে এক ব্যাক্তিকে অপহরণের চেষ্টা। তাও আবার মালদা আদালত চত্বর থেকে। ঘটনা ঘিরে উত্তেজনা। পথ চলতি মানুষের বাধার ফলে অপহরণকারীদের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ঘটনার খবর পেয়ে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ ছুটে এসে দুইজন অপহরণকারীকে আটক করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

        
জানা যায়, বামনগোলা থানার রতন বল্লভ(৩৮) পেশায় ব্যবসায়ী। ব্যক্তিগত কাজে তিনি এদিন মালদা আদালতে আসেন। সেই সময় একটি ম্যাজিক গাড়ি করে বেশ কিছু লোক তার পিছু নেয়। ব্যবসায়ী মালদা আদালতের প্রবেশ পথে এক দোকানে টিফিন করছিলেন। সেই সময় ওই ম্যাজিক গাড়ি থেকে বেশ কয়েকজন লোক ওই ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে যাবার চেষ্টা করে। দলে ছয় জন ছিলেন বলে জানা গেছে। ব্যবসায়ীর চিৎকারে পথ চলতি মানুষ রুখে দাড়ায়। অবস্থা বেগতিক দেখে অপহরণকারী দলের চারজন সদস্য পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। দুইজনকে ধরে ফেলে পথ চলতি বাসিন্দারা। এমন হট্টোগোলে কর্তব্যরত সিভিক ভলেন্টিয়ার ইংরেজবাজার পুলিশকে খবর দেয়। থানা থেকে পুলিশ এসে তিনজনকে আটক করে যার মধ্যে দুই জন অপহরণকারী বলে খবর। আটক করা হয় ম্যাজিক ভ্যানটিও। ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর ধৃত অপহরণকারী নাম শেখ রেজাউল ও শেখ আনোয়ার হোসেন। দুই জনের বাড়ি বামনগোলা থানা এলাকায়।

        এবিষয়ে মৃত্যুঞ্জয় দাস নামে এক স্থানীয় জানান, তিনি হঠাত করে দেখতে পান বেশ কয়েকজন লোক এক ব্যক্তিকে জোর করে তুলে নিয়ে যাচ্ছে। লোকটি সাহায্যের জন্য চিৎকার করলে তারা সকলে ছুটে তাকে উদ্ধার করেন। ও অপহরণকারীদের মধ্যে দুই জনকে ধরে ফেলে।

        সেই সময় ঘটনাস্থলে থাকা এক সিভিক ভলেন্টিয়ার বাপন সাহা জানায়, সে এই ঘটনার সময় সেখানেই ছিল। সেই সময় একটি ম্যাজিক গাড়িকে ঘিরে বহু মানুষ জড় থাকে দেখে সে ঘটনাস্থলে যায় ও থানায় খবর দেয়।

        এই ঘটনায় কিডন্যাপ হওয়া ওই ব্যক্তি রতন বল্লভ জানায়, আমার কাছে কিছু লোক টাকা পাবে। তবে এদের কাউকে আমি চিনিনা। এরা বলছে একে আমরা কাটবো, আমার টাকা পয়সা নিয়ে পালিয়েছে। তবে তিন বছর আগে আমি ব্যবসা করতাম, সেখানে ক্ষতি হয়। তবে পাকুয়ার হরলাল নামে এক ব্যক্তি আমার কাছে এক লক্ষ টাকার মতো পাবে, আমি কাজ করে টাকা শোধ করে দিন কিন্তু এদের কাউকে আমি চিনিনা। এরা জোর জবরদস্তী আমাকে উঠিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। 

        এই ঘটনায় ধৃত এক অপহরণকারী আনোয়ার হোসেন বলেন, ওর বাড়ি গেলে টাকা দেয়না, উল্টে গালি গালাজ করে। তার জন্যই ওকে উঠিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলাম টাকা নিয়ে ওকে ছেড়ে দিতাম।

বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে
https://www.youtube.com/embed/HYPgmZtPESE