উত্তরদিনাজপুর

খাটালের গোবর ও নোংরা ফেলতে না পারার কারনে বন্ধ দক্ষিণ সোহারই শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের মাঠ তৈরির কাজ

খাটালের গোবর ও নোংরা আবর্জনা আর ফেলতে পারবেনা সেই কারনে শিশুশিক্ষা কেন্দ্র লাগোয়া ডোবা বন্ধ করার কাজ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল এলাকার খাটাল মালিকদের বিরুদ্ধে। স্থানীয় গ্রামপঞ্চায়েতের কাজ বন্ধ করে দেওয়ার প্রতিবাদে সরব হন শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের অভিভাবকেরা। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ শহর সংলগ্ন বাহিন গ্রামপঞ্চায়েতের দক্ষিন সোহারই গ্রামে। কাজ বন্ধ হওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। তবে কাজ শুরু হয়নি। রায়গঞ্জ শহর সংলগ্ন দক্ষিন সোহারই শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের সাথে থাকা একটি ডোবায় এলাকার খাটাল মালিকেরা গোবরসহ বর্জ্য পদার্থ ফেলে। এরফলে শিশুশিক্ষা কেন্দ্রে দূষন ছড়াচ্ছে। এছাড়াও খুদে পড়ুয়াদের ডোবায় পরে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে। এই সমস্যা সমাধান করার উদ্দেশ্যে শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের খুদে পড়ুয়াদের অভিভাবকেরা দ্বারস্থ হন স্থানীয় বাহিন গ্রাম পঞ্চায়েতের কাছে। গ্রাম পঞ্চায়েত মহাত্মা গান্ধী গ্রামীন কর্মনিশ্চয়তা প্রকল্পের মাধ্যমে ২৪ হাজার ৫৬৪৪ টাকা দিয়ে মাঠ সমতল করার কাজ শুরু করে। কাজ শুরু হওয়ার কিছুদিন পরেই স্থানীয়  গো- মহিষ পালনকারী খাটাল মালিকেরা কাজ বন্ধ করে দেয়। এ নিয়ে অভিভাবকদের সাথে বচসাও বাধে খাটাল মালিকদের। অভিযোগ, খাটাল মালিকেরা তাদের আবর্জনা ফেলতে পারবেনা দেখেই কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। অভিভাবকদের দাবি অবিলম্বে ডোবা বন্ধ করে শিশুদের খেলার উপযুক্ত মাঠ তৈরি করুক
প্রশাসন। 

শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের প্রধান শিক্ষিকা রীতা সাহা বোস বলেন, পঞ্চায়েতের মাধ্যমে ডোবার সমস্যা সমাধানের জন্য চেষ্টা করেছিলাম। পঞ্চায়েতও কাজ শুরু করে দিয়েছিল। কিন্তু মাঝপথে কিছু মানুষের জন্য কাজটা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। প্রশাসনের কাছে আবেদন যাতে দ্রুত কাজ শেষ করে দূষনমুক্ত পরিবেশ গড়ে
তোলা হয়।

        শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের প্রধান শিক্ষিকা রীতা সাহা বোস বলেন, “পঞ্চায়েতের মাধ্যমে ডোবার সমস্যা সমাধানের জন্য চেষ্টা করেছিলাম।
পঞ্চায়েত কাজ শুরুও করে দিয়েছিল। কিন্তু মাঝপথে কিছু মানুষের জন্য কাজটা বন্ধ হয়ে গেল। প্রশাসনের কাছে আবেদন করব যাতে দ্রুত কাজ শেষ করে দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা হয়।” 
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে 
https://www.youtube.com/embed/pm5FTDNIJdA